সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

 “ঈশ্বরে বিশ্বাস করি, তাঁর মনে হয়েছে ৭০ লাখ যথেষ্ট” — লিটন দাস প্রকাশের তারিখ: ২ ডিসেম্বর ২০২৫ সূত্র: Sanatan Dharma SD বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম তারকা ক্রিকেটার লিটন দাস সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, তিনি নিজ জীবনে ঈশ্বরের প্রতি গভীর বিশ্বাস রাখেন। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন— “আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি, তাঁর মনে হয়েছে ৭০ লাখ যথেষ্ট।” তবে ঠিক কোন প্রসঙ্গে তিনি এই মন্তব্য করেছেন, সেটি স্পষ্ট না হলেও ধারণা করা হচ্ছে এটি তাঁর সাম্প্রতিক কোনো সিদ্ধান্ত, বিবেচনা বা পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্যক্তিগত মনোভাব প্রকাশের অংশ। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। লিটন দাস স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এবং তিনি ক্রিকেট ও ব্যক্তিগত বিশ্বাস—দুই দিক নিয়েই খোলামেলা কথা বলেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ভক্তদের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। ছবি: সংগৃহীত প্রস্তুত: Sanatan Dharma SD

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শিলক ইউনিয়নের প্রবাসী সঞ্জিব দাশ (৪৩) নামে এক ব্যক্তি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেশটির আল খয়ের এলাকায় একটি স্কুলবাস তাকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

  মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শিলক ইউনিয়নের প্রবাসী সঞ্জিব দাশ (৪৩) নামে এক ব্যক্তি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেশটির আল খয়ের এলাকায় একটি স্কুলবাস তাকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সঞ্জিব দাশ রাঙ্গুনিয়ার শিলক ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নটুয়ারটিলা গ্রামের লাল মোহন দাশের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রি ভিসায় ওমানে কার্পেন্টারসহ বিভিন্ন খণ্ডকালীন কাজ করতেন। সঙ্গে থাকা একই এলাকার প্রবাসী মোহাম্মদ ওবায়দুল হক জানান, প্রতিদিনের মতো সঞ্জিব সাইকেলে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরছিলেন। পথেই দ্রুতগতির একটি স্কুল বাস সাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে পাশের ওয়ালে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর সঞ্জিবের মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে পরিবার ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে জানা গেছে।

ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও আমরা কেনো প্রিয় মানুষকে পাই না — শাস্ত্র মতে ব্যাখ্যা

 ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও আমরা কেনো প্রিয় মানুষকে পাই না — শাস্ত্র মতে ব্যাখ্যা মানবজীবনের সম্পর্ক, ভালোবাসা ও বিচ্ছেদ—এসবই স্রষ্টার সূক্ষ্ম বিধান ও পূর্বকর্মের অদৃশ্য ফল। শাস্ত্র বলে, প্রত্যেক মানুষের জীবনে যেকোনো সম্পর্কই আকস্মিক নয়; তা জন্মজন্মান্তরের কর্মফল, ঋণ, দায় ও শেখার প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। ১. পূর্বজন্মের কর্মফল (কর্ম-সংস্কার) শাস্ত্র মতে, ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও প্রিয় মানুষকে না পাওয়া অনেক সময় অপূর্ণ কর্মফলের কারণে ঘটে। যার প্রতি আমাদের হৃদয় আকৃষ্ট হয়, হয়তো তার সাথে পূর্বজন্মে অসম্পূর্ণ কোনো সম্পর্ক বা ঋণ থেকে গেছে। এই জন্মে সেই সম্পর্ক কেবল অনুভবের জন্য আসে, কিন্তু একসাথে থাকার জন্য নয়। ২. মায়া ও আসক্তির পরীক্ষা শাস্ত্রে বলা আছে— “যে আসক্তি হৃদয়কে পীড়া দেয়, তা ঈশ্বর মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য দেন।” মানুষ কখনও কখনও সত্যিকারের প্রেমকে পায় না, কারণ সেই প্রেম তাকে জীবনের বড়ো কোনো শিক্ষার দিকে এগিয়ে দেয়—সহনশীলতা, আত্মসম্মান, ধৈর্য ও আত্মা-শুদ্ধির দিকে। ৩. ভাগ্য ও সময়ের অমিল ভালোবাসা সত্যি হলেও সময় যদি অনুকূলে না থাকে, সম্পর্ক পূর্ণতা পায় না। শাস্ত্রে এর নাম— ‘দোষকাল’ অর্থাৎ,...

ভূমিকম্প হলে সনাতন ধর্মে উলুধ্বনি ও শঙ্কধ্বনি দেওয়া হয় কেন? — শাস্ত্র মতে তার ব্যাখ্যা?

 ভূমিকম্প হলে সনাতন ধর্মে উলুধ্বনি ও শঙ্কধ্বনি দেওয়া হয় কেন? — শাস্ত্র মতে প্রতিবেদন সনাতন ধর্মে উলুধ্বনি (উলু) ও শঙ্কধ্বনি শুধু সামাজিক প্রথা নয়—এর শক্ত ভিত্তি রয়েছে বেদ, পুরাণ, তন্ত্র, ধর্মশাস্ত্র ও আচার-বিধিতে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অশুভ ঘটনার সময় এসব ধ্বনিকে শক্তি-বর্ধক, অশুভ-দূরীকরণী এবং শুদ্ধিকর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। --- 🔶 ১. শাস্ত্রে শঙ্খধ্বনির শক্তি ও প্রভাব ➤ (ক) শঙ্খের উল্লেখ – বেদে বেদে শঙ্খধ্বনিকে বলা হয়েছে “দৈব শক্তির ঘোষণা”। ঋগ্বেদ-এ শঙ্খের শব্দকে “পাপনাশী ও ঋণাত্মক শক্তিনাশী” বলা হয়েছে। শঙ্খের শব্দ পরিবেশকে শুদ্ধ ও পবিত্র করে—এটি একটি দৈবিক কম্পন সৃষ্টি করে। ➤ (খ) পুরাণে ভূমিকম্প বা দুর্যোগে শঙ্খ বাজানোর নির্দেশ ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ, বিশ্ণু পুরাণ ও আগম শাস্ত্রে উল্লেখ আছে: > “দৈব-দূত বা অশুভ-প্রভাবে প্রকৃতি কেঁপে উঠিলে শঙ্খধ্বনি করিলে সেই দোষ নাশ হয়।” অর্থাৎ দুর্যোগ, ভূমিকম্প, ঝড়, অশুভ লক্ষণ—এগুলোর সময় শঙ্খধ্বনি দিয়ে অশুভ প্রবাহ নিবারণ করতে বলা হয়েছে। ➤ (গ) তন্ত্রশাস্ত্র তন্ত্র বলে: > “শঙ্খধ্বনিঃ ভূতপ্রেতবিনাশিনী।” শঙ্খ ধ্বনি ভূত-প্রেত, অপদেবতা ও নেগেটিভ শক্ত...

পুরুষের অহংকারে সন্দেহ জন্মায়, আর সন্দেহে ভাঙে সংসার। শাস্ত্র বলে— স্ত্রীকে সম্মান দিলে ঘরে সুখ, অবমাননা করলে জন্মায় অধর্ম।

 নিজস্ব প্রতিবেদন:- Sanatan Dharma SD সনাতন ধর্ম শিক্ষা প্রচারই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য..  🔶 পুরুষ মানুষ কেন নারীর প্রতি সন্দেহ করে — শাস্ত্রীয় ও সামাজিক বিশ্লেষণ শিরোনাম:- সনাতন শাস্ত্র ও নীতির আলোকে নারী–পুরুষ সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস। কিন্তু বাস্তব জীবনে অনেক পুরুষ স্ত্রী বা নারীর প্রতি অযথা সন্দেহ করে বসে। শাস্ত্র মতে এটি শুধু মানবিক দোষই নয়, বরং গুরুতর পাপ ও অশুভ কর্মফল বয়ে আনে। --- 🔶 কেন পুরুষ সন্দেহে ভোগে? (শাস্ত্র ও মনস্তত্ত্ব অনুযায়ী) ১. অহংকার ও মালিকানাবোধ ধর্মশাস্ত্রে বলা হয়— “অহংকার মানুষের দৃষ্টিকে অন্ধ করে।” অহংকার বাড়লে মানুষ ভাবতে শুরু করে স্ত্রী বা নারী তার সম্পত্তি। এখান থেকেই সন্দেহ জন্মায়। ২. অস্থির মন ও তামসিক বুদ্ধি গীতায় বলা আছে— “তামসিক বুদ্ধি সর্বদা ভয় ও সন্দেহে ভোগে।” যার মন অশান্ত, সে সহজেই কল্পিত সন্দেহে পড়ে যায়। ৩. আত্মবিশ্বাসের অভাব অনেক পুরুষ নিজের দুর্বলতা ঢাকতে গিয়ে নারীকে সন্দেহ করে। শাস্ত্রে বলা হয়েছে— “আত্মবিশ্বাসহীন ব্যক্তি অন্যের গুণেও দোষ খুঁজে ফেরে।” --- 🔶 শাস্ত্র অনুযায়ী সন্দেহ করলে কী পাপ হয়? ১. অকারণ সন্দেহ ‘মনোবচনকর্ম পাপ’ মন, ...

দীপঙ্কর দাস দ্বীপের মরদেহ… স্বজনদের হাতে চলে আসছে..বিস্তারিত কমেন্ট..

 সিলেটের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর দীপঙ্কর দাস দ্বীপের মরদেহ আজ রাতেই মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কুয়ালালামপুর থেকে যাত্রা করা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মরদেহ গ্রহণে দ্বীপের স্বজনরা ইতোমধ্যে ঢাকায় অবস্থান করছেন। মরদেহ সিলেট নাকি সরাসরি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুড়ি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে—এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বুধবার দিনে গ্রামের বাড়িতেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিমানের নির্ধারিত ফ্লাইটে মরদেহ আসার কথা থাকলেও ফ্লাইট জটিলতায় তা বাতিল হয়। গত ১২ নভেম্বর ভোরে বুকে ব্যথা অনুভবের পর মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাত্র ২১ বছর বয়সী দ্বীপ। ফেসবুকে পারিবারিক হাস্যরসাত্মক কনটেন্ট তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, বন্ধু এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। সকাল ৭টার পর তাকে নেওয়া হবে আমাদের গ্রামের বাড়ি— পুটিজুরী, বাহুবল, হবিগঞ্জে। সেখানে দিনের বেলায় সম্পন্ন করা হবে তার শেষকৃত্য। ...

মালয়েশিয়া থেকে ফিরছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দীপংকর দাস দ্বীপের মরদেহ.

 মালয়েশিয়া থেকে ফিরছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দীপংকর দাস দ্বীপের মরদেহ সোমবারের রাত পেরোলে চিরঘুমের নীরবতায় সিলেটের পথে** সিলেটের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর দীপংকর দাস দ্বীপ, যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় অনন্য ভঙ্গিতে মানবিক গল্প, ভ্রমণকাহিনি ও অনুপ্রেরণামূলক কনটেন্ট তৈরি করে অসংখ্য দর্শকের মন জয় করেছিলেন, তিনি আজ আর ফিরবেন না প্রিয় ক্যামেরা হাতে—ফিরবেন নীরব চিরঘুমে। গত সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে সিলেটসহ পুরো অনলাইন দুনিয়ায় নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার মালয়েশিয়া থেকে দেশে পৌঁছাবে দীপংকর দাস দ্বীপের মরদেহ। সিলেটের বিমানবন্দরেই শেষবারের মতো তাকে গ্রহণ করতে দাঁড়িয়ে থাকবে পরিবার, স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও অসংখ্য ভক্ত। তারপর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে নিজ বাড়িতে। সেখানে স্বজনদের কান্না, প্রতিবেশী আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের শোকসন্তপ্ত পরিবেশে সম্পন্ন হবে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি। দীপের প্রস্থান যেন ব্যথার ঢেউ ছড়িয়ে দিয়েছে সবার হৃদয়ে— যে ছেলে হাসাতে জানত, নিজের কষ্ট লুকিয়ে অন্যের মুখে আনন্দ ফুটাতে পারত, আ...