🌿 তুলসী পূজার ইতিহাস ও মাহাত্ম্য 🌿 সনাতন ধর্মে তুলসী কেবল একটি উদ্ভিদ নয়—তিনি স্বয়ং দেবী তুলসী / বৃন্দা দেবী। শাস্ত্রে তাঁকে বিষ্ণুভক্তির প্রতীক ও গৃহস্থের কল্যাণরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। 📜 পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী পদ্মপুরাণ, স্কন্দপুরাণ ও বিষ্ণুপুরাণে বলা হয়েছে— তুলসী দেবী পূর্বজন্মে ছিলেন বৃন্দা, এক অসাধারণ পতিব্রতা নারী। তাঁর স্বামী ছিলেন অসুররাজ জলন্ধর। বৃন্দার পবিত্রতা ও ভক্তির শক্তিতেই জলন্ধর অজেয় ছিলেন। ভগবান বিষ্ণু ধর্মরক্ষার জন্য জলন্ধরের অহংকার নাশ করেন। পরে বৃন্দা দেবী ভগবান বিষ্ণুর শরণ নেন এবং তাঁর কঠোর তপস্যায় প্রসন্ন হয়ে ভগবান তাঁকে আশীর্বাদ দেন— 👉 তিনি পৃথিবীতে তুলসী রূপে পূজিত হবেন এবং ভগবান বিষ্ণুর সর্বাপেক্ষা প্রিয় হবেন। এই কারণেই বিষ্ণু পূজা তুলসী ছাড়া অসম্পূর্ণ বলে শাস্ত্রে বলা হয়েছে। 🕉️ শাস্ত্রীয় গুরুত্ব 📖 শাস্ত্রে বলা হয়েছে— তুলসী যেখানে থাকে, সেখানে যমদূতের প্রবেশ নেই তুলসী পূজায় পাপ নাশ হয় তুলসী পাতা নিবেদন করলে ভগবান বিষ্ণু, নারায়ণ, কৃষ্ণ অতি সন্তুষ্ট হন তুলসী গাছ গৃহে থাকলে শান্তি, সুস্থতা ও ঐশ্বর্য বৃদ্ধি পায় “তুলসী কাননে যত্র যত্র স্থিতঃ কেশবঃ। তত্র তত...