সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নভেম্বর ২৩, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভূমিকম্প হলে সনাতন ধর্মে উলুধ্বনি ও শঙ্কধ্বনি দেওয়া হয় কেন? — শাস্ত্র মতে তার ব্যাখ্যা?

 ভূমিকম্প হলে সনাতন ধর্মে উলুধ্বনি ও শঙ্কধ্বনি দেওয়া হয় কেন? — শাস্ত্র মতে প্রতিবেদন সনাতন ধর্মে উলুধ্বনি (উলু) ও শঙ্কধ্বনি শুধু সামাজিক প্রথা নয়—এর শক্ত ভিত্তি রয়েছে বেদ, পুরাণ, তন্ত্র, ধর্মশাস্ত্র ও আচার-বিধিতে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অশুভ ঘটনার সময় এসব ধ্বনিকে শক্তি-বর্ধক, অশুভ-দূরীকরণী এবং শুদ্ধিকর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। --- 🔶 ১. শাস্ত্রে শঙ্খধ্বনির শক্তি ও প্রভাব ➤ (ক) শঙ্খের উল্লেখ – বেদে বেদে শঙ্খধ্বনিকে বলা হয়েছে “দৈব শক্তির ঘোষণা”। ঋগ্বেদ-এ শঙ্খের শব্দকে “পাপনাশী ও ঋণাত্মক শক্তিনাশী” বলা হয়েছে। শঙ্খের শব্দ পরিবেশকে শুদ্ধ ও পবিত্র করে—এটি একটি দৈবিক কম্পন সৃষ্টি করে। ➤ (খ) পুরাণে ভূমিকম্প বা দুর্যোগে শঙ্খ বাজানোর নির্দেশ ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ, বিশ্ণু পুরাণ ও আগম শাস্ত্রে উল্লেখ আছে: > “দৈব-দূত বা অশুভ-প্রভাবে প্রকৃতি কেঁপে উঠিলে শঙ্খধ্বনি করিলে সেই দোষ নাশ হয়।” অর্থাৎ দুর্যোগ, ভূমিকম্প, ঝড়, অশুভ লক্ষণ—এগুলোর সময় শঙ্খধ্বনি দিয়ে অশুভ প্রবাহ নিবারণ করতে বলা হয়েছে। ➤ (গ) তন্ত্রশাস্ত্র তন্ত্র বলে: > “শঙ্খধ্বনিঃ ভূতপ্রেতবিনাশিনী।” শঙ্খ ধ্বনি ভূত-প্রেত, অপদেবতা ও নেগেটিভ শক্ত...