আরো একটি লোমহর্ষক ঘটনা‼️হত্যা করে দূর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। শ্রুতি পালের মর্মান্তিক মৃত্যু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সনাতনীদের সামাজিক অবক্ষয় কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে..... শ্রুতি গীতা পড়িয়ে ও পড়ে কি জ্ঞান লাভ করল প্রশ্ন থেকে যায়‼️ উল্লেখ্য, ফেনীতে নিহত চট্টগ্রামের মেয়ে শ্রুতি পাল নামের গীতাস্কুলের শিক্ষার্থী ছিলো! পরে মেয়েটি চট্টগ্রামের গীতা স্কুলের শিক্ষিকা ছিল। বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটির (বাগীশিক) সাথে কাজ করতো। ফেনীতে মেয়েটি বিএড করছিল। মেয়েটি সেখানে টিউশন করতো, নিজের খরচ চালাতে হোস্টেলের বাইরে যেতো। হোস্টেলের এক মুসলিম আপুর সাথে সে প্রায়ই বাইরে যেতো রেস্টুরেন্টে, ঘুরতে, শপিং করতে। প্রসঙ্গত, ঘটনার দিন মোঃ তানভীর নামের একটি ছেলে বাইক নিয়ে আসে এবং তার সাথে বাইকে চড়ে ঘুরতে যায় পরিবারকে না জানিয়ে। এরপরে খবর আসে মেয়েটা বাইক এক্সিডেন্টে মারা গেছে। অথচ তার সারা শরীরে, মাথায়, বুকে কোথাও ক্ষত না থাকলেও যৌনাঙ্গ ক্ষত বিক্ষত ছিল। বাইক এক্সিডেন্ট হলে তাকে বহন কারী বাইক চালকের কিছুই হলো না! প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট আসলে সঠিক ঘটনা জানা যাবে। এই ঘ...